ইউরো-কোপায় আকাশছোঁয়া প্রাইজমানি

আন্তমহাদেশীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা হলেও কোপা আমেরিকা কাঁপিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্ব। আর্জেন্টিনার আরও একটা শিরোপা জয়ের সুযোগ। অন্যদিকে কলম্বিয়ার নতুন ইতিহাস গড়ার হাতছানি। এসবের বাইরে দেখে নেই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলগুলোর কার ঘরে যাচ্ছে কত টাকা।

এবারের আসরে অংশগ্রহণকারীদের জন্য রেকর্ড ৭২ মিলিয়ন ডলারের প্রাইজমানি বরাদ্দ থাকছে। অংশগ্রহণের জন্যই প্রতি দল পাচ্ছে ২ মিলিয়ন ডলার করে। মানে কোন দল যদি একটি ম্যাচও না জিততে পারে, তবুও তারা ঘরে তুলবে প্রায় ২৪ কোটি টাকা। ২০২১ সালে শিরোপাজয়ী দল পেয়েছিল ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, এবার তার সঙ্গে বেড়েছে আরও ৬ মিলিয়ন।

আসরের রানার্স-আপ দল পাবে ৭ মিলিয়ন। তৃতীয় স্থান অধিকারীর ঘরে যাবে ৫ মিলিয়ন, আর চতুর্থ স্থান অর্জনকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৪ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া প্রতি কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট পাচ্ছে অতিরিক্ত ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন করে। তবে পুরো টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি কত টাকায় গিয়ে ঠেকছে, তা এখনও প্রকাশ করেনি কনমেবল ও কনকাকফ। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে মোট বাজেট ৩৩১ মিলিয়ন ইউরো, যা বাংলা টাকায় প্রায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। অংশগ্রহণ ও ম্যাচ জয় ফি ছাড়াও প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদা টাকা থাকছে ইউরোপ সেরা হওয়ার এ প্রতিযোগিতায়।

এবারের আসরের বিজয়ী দলের অ্যাকাউন্টে ট্রফি জয় বাবদই ঢুকবে ৮ মিলিয়ন ইউরো, যা ১০২ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এ ছাড়া রানার্স-আপের জন্য ৫ মিলিয়ন এবং সেমিফাইনালে ওঠার জন্য দলগুলো পাবে ৪ মিলিয়ন করে। ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো করে ঘরে বোনাস ঘরে তুলবে আসরের কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা। শেষ ষোলোতে ওঠায় আলাদাভাবে সে দলগুলোও পাচ্ছে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো করে।

এ ছাড়াও প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য বোনাস হিসেবে দলগুলো পাবে ১ মিলিয়ন করে। ড্র করার জন্য থাকবে ৫ লাখ ইউরো। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল কমপক্ষে ৯ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ইউরো পকেটে ঢুকিয়ে বাড়ি ফিরবে। টুর্নামেন্টে সবগুলো ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দল সর্বোচ্চ ২৮ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৩৬১ কোটি টাকা ঘরে তুলবে।
সেক্ষেত্রে ফাইনালে স্পেন জিতলে এই বিশাল অংকের প্রাইজমানি তাদের ঘরে যাবে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড শিরোপা জিতলেও টুর্নামেন্টের নিয়মের কারণে প্রাইজমানি কম পাবে সাউথগেটের দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *